খুঁজুন
সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

বিআরটিএ কর্মকর্তা রফিকুলের বিরুদ্ধে ঘুষ আর দুর্নীতির অভিযোগ, উঠেছে

অনুসন্ধানী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ২:১১ পূর্বাহ্ণ
বিআরটিএ কর্মকর্তা রফিকুলের বিরুদ্ধে ঘুষ আর  দুর্নীতির অভিযোগ, উঠেছে

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম ওরফে “ভাতিজা রফিক”­এর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বদলি বাণিজ্য,রেজিস্ট্রেশন জালিয়াতি,ঘুষ-দুর্নীতি এবং দালাল সিন্ডিকেট গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর কথিত চাচার রাজনৈতিক প্রভাবকে পুঁজি করে তিনি কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ করেছে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র।

বদলি বাণিজ্যের সিন্ডিকেটঃ

আওয়ামী লীগের ক্ষমতাসীন সময়ে অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ দিয়ে রফিকুল ইসলাম বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকান্ডে পেছন থেকে অর্থায়ন করেছেন বলে জানা গেছে।২০২৪ ইং সালের ১৪ ই অক্টোবর এক আদেশে তাঁকে ঢাকা মেট্রো-১ সার্কেল থেকে বরিশাল বিভাগীয় অফিসে বদলি করা হয়।এরও আগে, ২০১৫ ইং সালে চট্টগ্রাম মেট্রো সার্কেল-১–এ সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সিএনজি অটো-রিকশার নতুন রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার নামে উত্তরা মোটরসের ৮টি ডিলারের মাধ্যমে সাধারণ মালিকদের কাছ থেকে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠে।

এ ঘটনায় মন্ত্রণালয়ে তদন্তও শুরু হয়।তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে তাঁর চাকরি ঝুঁকিতে পড়ে।তবে কথিত চাচা,সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠজন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের হস্তক্ষেপে তিনি সেই বিপদ থেকে রক্ষা পান।

দালাল চক্রের মাধ্যমে ঘুষ বাণিজঃ

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলির পর রফিকুল ইসলাম বিভিন্ন বদলি বাণিজ্যের সাথে যুক্ত হয়ে যান।যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন,মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন,ফিটনেস-সব ক্ষেত্রেই তিনি দালাল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঘুষ বাণিজ্য চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।ঢাকা মেট্রো সার্কেল-১ এ যোগদানের পর মিরপুর-১০ এর শাহাবাস্তি এলাকায় “শাহাবাস্তি বিজনেস সেন্টার” নামের অফিস গড়ে তোলেন।হারুন অর রশিদ ওরফে রুবেলের সাথে মিলিত হয়ে সেখানে একটি শক্তিশালী দালাল সিন্ডিকেট তৈরি করা হয়।এই সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ সেবাপ্রত্যাশীরা দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে হয়রানির শিকার হয়ে আসছিলেন।

২০২৪ ইং সালে তিনি সহকারী পরিচালক থেকে উপপরিচালক পদে পদোন্নতি পান।বর্তমানে তিনি বিআরটিএ সদর দপ্তরের উপপরিচালক (অপারেশন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং একই সাথে ঢাকা মেট্রো সার্কেল-৪–এর অতিরিক্ত দায়িত্বেও রয়েছেন।

অবৈধ সম্পদের পাহাড়ঃ

অভিযোগ রয়েছে,অবৈধভাবে অর্জিত অর্থে তিনি আত্মীয়-স্বজনের নামে বিপুল সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন।রাজধানীর মগবাজারে আর এম মোটরস (রাইন রাজ্জাক প্লাজা) নামের মোটরসাইকেল শোরুম পরিচালনা করেন তাঁর ছোট ভাই রিয়াজ।এ ছাড়া মগবাজারেরই আর.এম ইন্টারন্যাশনাল নামের আরেকটি মোটরসাইকেল শোরুম পরিচালনা করেন তাঁর শ্যালক।এই দুই শোরুমও দালাল সিন্ডিকেটের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে রয়েছেন রফিকুল ইসলামের বাল্যবন্ধু আসাদ।

সিএনজি রেজিস্ট্রেশনে বড় ধরনের অনিয়মঃ

২০১৬ ইং সালে ঢাকা জেলা সার্কেলে সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর রফিকুল ইসলাম সিএনজি অটো-রিকশার রেজিস্ট্রেশনের নামে বড় ধরনের অনিয়মমূলক প্রক্রিয়া শুরু করেন।উত্তরা মোটরসের ডিলার খাজি আব্দুর রশিদ বুলু (দ্বীন ইসলাম মোটরস) ও হাজী সুলতানের (সুলতান মোটরস) সহযোগিতায় ঢাকা জেলার নামে হাজারো সিএনজি অটো-রিকশা রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়।

স্বাধীনতার পর কখনোই ঢাকা জেলা থেকে বাণিজ্যিক সিএনজি অটোরিকশার রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়নি।কিন্তু রফিকুলের সময় একেকটি রেজিস্ট্রেশনের জন্য ন্যূনতম ১ লাখ টাকা করে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ ওঠে। ২০১৯ সালের মার্চ পর্যন্ত তিনি অন্তত ৫ হাজার সিএনজি রেজিস্ট্রেশন করিয়েছেন বলে জানা গেছে।অধিকাংশ মালিকই ঢাকা জেলার বাসিন্দা নন,বরং ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে ঢাকা মহানগরীর মালিকদের নামে এসব রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়-যা আইনগতভাবে সম্পূর্ণ অবৈধ।এতে রাজধানীতে বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয় এবং সিএনজির দামও লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি পায়।বদলি নয়,কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োজনঃ

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পরিবহন সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগী বলেন “রফিকুল ইসলামের মতো অসাধু কর্মকর্তাদের শুধু বদলি করলেই হবে না।তাদের সাময়িক বরখাস্ত করে পরিবারের সদস্যদের নামে যেসব অবৈধ সম্পত্তির পাহাড় গড়ে তুলেছেন-তার সবগুলোর তদন্ত হওয়া জরুরি।তদন্ত হলেই থলের বিড়াল বের হয়ে আসবে”।বিআরটিএর মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবাখাতে

দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের অনিয়ম,সিন্ডিকেটচক্র ও দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়।তবে রফিকুল ইসলামকে ঘিরে উঠা ধারাবাহিক অভিযোগগুলো আবারও প্রশ্ন তুলছে-কেবল বদলি করলেই কি দুর্নীতি বন্ধ হবে,নাকি প্রয়োজন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা?

তেহরানে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আঞ্চলিক ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
   
তেহরানে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আঞ্চলিক ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান তেহরান সফরে গিয়ে বাণিজ্য, জ্বালানি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ক্ষেত্রে তুরস্ক ও ইরানের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দুই দেশের ‘আরও অনেক কিছু করার আছে’।

রোববার (৩০ নভেম্বর) ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বাণিজ্য এবং জ্বালানি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আজ আমরা আবার দেখলাম, কারণ আরও অনেক কিছু করার আছে।’ তার মতে, উভয় দেশের দীর্ঘস্থায়ী সমন্বয়ের প্রয়োজন।

ফিদান আরও বলেন, ‘সীমান্ত দক্ষতা উন্নত করতে, সীমান্ত গেটের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে এবং সরবরাহ ও পরিবহন প্রকল্প বাস্তবায়নে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে। আমাদের দেশগুলোর জনসংখ্যা বিশাল, ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং উচ্চ বাণিজ্য রয়েছে। তবে আমাদের বাণিজ্য আরও কার্যকর হওয়া দরকার।’

মন্ত্রীরা অনিয়মিত অভিবাসন, বিশেষ করে আফগানিস্তান থেকে আসা অভিবাসন মোকাবেলার প্রচেষ্টা নিয়েও আলোচনা করেছেন। ফিদান বলেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে একসাথে এই সমস্যাটি মোকাবেলা করার লক্ষ্য রাখি।’

ফিদান পূর্ব তুরস্কের ভ্যান প্রদেশে একটি নতুন কনস্যুলেট খোলার ইরানের পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আরাঘচি সেখানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট পর্যায়ে শিগগিরই নবম তুর্কি-ইরান উচ্চ-স্তরের সহযোগিতা পরিষদের বৈঠক আয়োজনের বিষয়েও সম্মত হন।

আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়ে ফিদান গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরায়েলি সম্প্রসারণবাদী নীতির ওপর উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, উভয় দেশই ‘মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য ইসরায়েলকে সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে দেখে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।’ফিদান চলমান পারমাণবিক আলোচনার সময় তেহরানের প্রতি আঙ্কারার সমর্থনও পুনর্ব্যক্ত করেন এবং তিন ইউরোপীয় দেশের ‘অন্যায়’ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নতুন আমির সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার সারোয়ার
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
   
বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নতুন আমির সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম
বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নতুন আমির হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আহলে শূরা ও কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরুব্বি সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম। এর আগে ইন্দোনেশিয়ায় এক ইজতেমায় তাবলিগ জামাতের বিশ্ব আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভী এক আলমি মাশওয়ারায় এই ফয়সালা করেন।
রোববার (৩০ নভেম্বর) তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের মিডিয়া সমন্বয়ক মো. সায়েম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মিডিয়া সমন্বয়ক মো. সায়েম জানান, বাংলাদেশের শূরা হযরত প্রফেসর ইউনুস সিকদার আমিরের অধীনে শূরা হিসেবে থাকবেন এবং আমিরকে সহযোগিতার জন্য কাকরাইলের মাওলানা মনির বিন ইউসুফ ও হাফেজ ওজিউল্লাহকে শূরা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই মাশওয়ারায়।

সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলামকে দীর্ঘদিন পর তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আমির মনোনীত করায় তাবলিগের সাথীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে।

সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম ১৯৯৯ সাল থেকে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আহলে শূরা ও কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরুব্বি ছিলেন। তিনি তাবলিগের কাজে বিশ্বের শতাধিক দেশ সফর করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মুরুব্বি ও একজন বিশ্ব নন্দিত দাঈ হিসেবে সর্বমহলে ব্যাপক পরিচিত।

উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়া ইজতেমায় শরিক হওয়ার জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১৫০০ তাবলিগের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ায় উপস্থিত আছেন। আগে তাবলিগ জামাতের বিশ্বব্যাপী এই মাশওয়ারা বাংলাদেশের বিশ্ব ইজতেমায় অনুষ্ঠিত হতো। মাওলানা সাদ কান্ধলভী বিরোধিতার মুখে বাংলাদেশে না আসায় তাবলিগের এই আলমী মাশওয়ারা এ বছর ইন্দোনেশিয়া ইজতেমায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ইজতেমার সমাপনী দিনে তাবলীগের আলমী মাশওয়ারায় কয়েকটি দেশের তাবলিগ জামাতের নতুন আমির ঠিক করা হয়। তখন বিশ্ব আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভী বাংলাদেশের আমির হিসেবে সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলামের নাম ঘোষণা করেন।

স্কুলে ভর্তির ডিজিটাল লটারি ১১ ডিসেম্বর

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
   
স্কুলে ভর্তির ডিজিটাল লটারি ১১ ডিসেম্বর

দেশের সরকারি-বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তিতে ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১১ ডিসেম্বর। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মাধ্যমিক শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত ২১ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হচ্ছে। ৫ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ আবেদন করা যাবে। এরপর ১১ ডিসেম্বর লটারি হবে। লটারিতে নির্বাচিতরাই ভর্তির সুযোগ পাবে।

মাউশির তথ্যমতে, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে চার হাজার ৪৮টি সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এবার সরকারি স্কুলের সংখ্যা ৬৮৮টি এবং বেসরকারি স্কুলের সংখ্যা তিন হাজার ৩৬০টি। সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট শূন্য আসন ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২৮১টি। এর মধ্যে সরকারি স্কুলে শূন্য আসন এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি এবং বেসরকারি স্কুলে আসন ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি।

গত ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি স্কুলের এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিল দুই লাখ ৬০ হাজার ২৪৪ জন। তারা পছন্দক্রম দিয়েছিল তিন লাখ ৭৫ হাজার ৭২৮টি।

অন্যদিকে বেসরকারি স্কুলে ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি শূন্য আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিল ৯৮ হাজার ৭৬২ শিক্ষার্থী। তারা পছন্দক্রম দিয়েছিল এক লাখ ৮০ হাজার ৮৬২টি। এরপর আর আবেদন জমা পড়ার নতুন তথ্য জানায়নি মাউশি।

error: Content is protected !!