খুঁজুন
সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

রূপগঞ্জ পূর্ব সাব-রেজিস্ট্রি এর অফিস সহকারী আমিনুল ইসলাম বিরুদ্ধে ঘুষ আর দুর্নীতি অভিযোগ উঠেছে

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
রূপগঞ্জ পূর্ব সাব-রেজিস্ট্রি এর  অফিস সহকারী আমিনুল ইসলাম বিরুদ্ধে ঘুষ আর দুর্নীতি অভিযোগ উঠেছে

ঘুষ আর দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড  রূপগঞ্জ পূর্ব সাব-রেজিস্ট্রি অফিস  অনিয়ম আর ঘুষ বাণিজ্যের ক্যাশিয়ার খ্যাত! অফিস সহকারী মোঃ আমিনুল ইসলাম বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্য  অভিযোগ পাওয়া গেছে । যার ইশারায় চলে  রূপগঞ্জ পূর্ব  সাব রেজিস্ট্রার অফিস তিনি হলেন

ক্যাশিয়ার খ্যাত! অফিস সহকারী মোঃ আমিনুল ইসলাম

দেশের শীর্ষ দুর্নীতিবাজ অফিস সহকারী আমিনুল ইসলাম

বিরুদ্ধে  ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে অনেক

রূপগঞ্জ পূর্ব সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সহকারী আমিনুল ইসলাম বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও দলিল বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এই অফিসে মোটা অঙ্কের ঘুষ ছাড়া কোনো জমির রেজিস্ট্রি হয় না। দলিল লেখক সমিতির কয়েকজন নেতা, দালাল সিন্ডিকেট ও সাব-রেজিস্ট্রারের কথিত সহকারীর আমিনুল ইসলাম  মাধ্যমে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা ঘুষ আদায় করা হয়। এসব টাকা থেকে একটি অংশ স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ‘ম্যানেজ’ করতে খরচ হলেও অধিকাংশই নিজের কাছে তুলে নেন অফিস সহকারী আমিনুল ইসলাম

অভিযোগ রয়েছে, অফিসে আসা সাধারণ মানুষদের নানা অজুহাতে হয়রানি করা হয়। “কাগজে সমস্যা আছে” বলে ভয় দেখিয়ে নেয়া হয় মোটা অংকের উৎকোচ। জমির সব কাগজ ঠিকঠাক থাকলেও ‘ফ্রেশ জমি’কে ‘ডোবা’, ‘নালা’ বা ‘পতিত’ হিসেবে দেখিয়ে নেয়া হয় বাড়তি ঘুষ। সরকারি নির্ধারিত ফি’র বাইরে দলিলপ্রতি  সহকারী আমিনুল ইসলাম এর  মাধ্যমে আদায় করা হয় অতিরিক্ত অর্থ। এসব টাকা ‘নাস্তা খরচ’, ‘ম্যানেজ ফি’ বা ‘সহযোগিতা’র নামে নিয়মিতভাবে তোলা হয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, এই ঘুষ বাণিজ্য শুধু সাব-রেজিস্ট্রারের একক প্রচেষ্টায় চলছে না। এতে জড়িত রয়েছে অফিসের ক্লার্ক, মোহরার, টিসি মোহরার ও অন্যান্য কর্মচারীরাও। কেউ ঘুষ দিতে রাজি না হলে তার কাজ আটকে দেয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে,  অফিস সহকারী আমিনুল ইসলাম   নিয়মিত দম্ভভরে বলেন, তার বিরুদ্ধে কেউ কিছু করতে পারবে না, কারণ তিনি “সব জায়গাতেই সিস্টেম করে” রেখেছেন।

বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, তিনি প্রতিমাসে গড়ে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষের টাকা আদায় করেন। কোনো কোনো দিন এই অঙ্ক ৮ থেকে ১০ লাখ টাকাও ছাড়িয়ে যায়। এসব অবৈধ উপার্জনের একটি অংশ নিয়মিতভাবে ক্ষমতাবান ব্যক্তিদের দেওয়া হয় যাতে কেউ প্রশ্ন না তোলে।

এলাকাবাসীর দাবি, প্রতিদিন অফিস শেষে অফিস সহকারী আমিনুল ইসলাম  ঘুষের টাকা নিয়ে বাসায় ফেরেন। এই সময় দুর্নীতি দমন কমিশন গোপনে অভিযান চালালে তাকে হাতেনাতে ধরা সম্ভব। সচেতন মহল মনে করছে, তার অনৈতিক কার্যকলাপ রেজিস্ট্রেশন বিভাগের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে, একইসাথে অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

রূপগঞ্জ পূর্ব

বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষিতে অনেকেই মনে করছেন, আইন মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন ও আইজিআর দপ্তরের উচিত দ্রুত এই কর্মকর্তা ও তার সহযোগীদের কার্যক্রমের তদন্ত করা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

অফিস সহকারী আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে আরও একটি বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। সেখানে দলিল লেখক ও সাব-রেজিস্ট্রার সিন্ডিকেট করে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের মাধ্যমে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়। এমনকি আদালতে মামলা চলমান থাকা জমিও তিনি মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে রেজিস্ট্রি করে দেন। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয় স্থানীয়ভাবে।

সেসময় স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কাশেম সেলিম এ বিষয়ে অভিযোগ করলে জমির প্রকৃত মূল্য অনুযায়ী রাজস্ব আদায়ের নির্দেশ দেয়া হয়। যদিও তখনও সাব-রেজিস্ট্রার  দাবি করেছিলেন, জমির মালিকরা ‘নাল’ জমির কাগজ জমা দিয়েছিল বলে ওইভাবে রেজিস্ট্রি করা হয় এবং মামলা চলমান থাকলেও জমি রেজিস্ট্রি করার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন বারবার দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ড অগ্রহণযোগ্য এবং তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও অনিয়মে উৎসাহ পাবে না বিস্তারিত আরও জানতে দৈনিক আমার স্বাধীন বাংলাদেশ  পত্রিকা তে চোখ রাখুন

তেহরানে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আঞ্চলিক ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
   
তেহরানে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আঞ্চলিক ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান তেহরান সফরে গিয়ে বাণিজ্য, জ্বালানি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ক্ষেত্রে তুরস্ক ও ইরানের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দুই দেশের ‘আরও অনেক কিছু করার আছে’।

রোববার (৩০ নভেম্বর) ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বাণিজ্য এবং জ্বালানি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আজ আমরা আবার দেখলাম, কারণ আরও অনেক কিছু করার আছে।’ তার মতে, উভয় দেশের দীর্ঘস্থায়ী সমন্বয়ের প্রয়োজন।

ফিদান আরও বলেন, ‘সীমান্ত দক্ষতা উন্নত করতে, সীমান্ত গেটের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে এবং সরবরাহ ও পরিবহন প্রকল্প বাস্তবায়নে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে। আমাদের দেশগুলোর জনসংখ্যা বিশাল, ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং উচ্চ বাণিজ্য রয়েছে। তবে আমাদের বাণিজ্য আরও কার্যকর হওয়া দরকার।’

মন্ত্রীরা অনিয়মিত অভিবাসন, বিশেষ করে আফগানিস্তান থেকে আসা অভিবাসন মোকাবেলার প্রচেষ্টা নিয়েও আলোচনা করেছেন। ফিদান বলেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে একসাথে এই সমস্যাটি মোকাবেলা করার লক্ষ্য রাখি।’

ফিদান পূর্ব তুরস্কের ভ্যান প্রদেশে একটি নতুন কনস্যুলেট খোলার ইরানের পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আরাঘচি সেখানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট পর্যায়ে শিগগিরই নবম তুর্কি-ইরান উচ্চ-স্তরের সহযোগিতা পরিষদের বৈঠক আয়োজনের বিষয়েও সম্মত হন।

আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়ে ফিদান গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরায়েলি সম্প্রসারণবাদী নীতির ওপর উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, উভয় দেশই ‘মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য ইসরায়েলকে সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে দেখে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।’ফিদান চলমান পারমাণবিক আলোচনার সময় তেহরানের প্রতি আঙ্কারার সমর্থনও পুনর্ব্যক্ত করেন এবং তিন ইউরোপীয় দেশের ‘অন্যায়’ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নতুন আমির সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার সারোয়ার
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
   
বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নতুন আমির সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম
বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নতুন আমির হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আহলে শূরা ও কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরুব্বি সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম। এর আগে ইন্দোনেশিয়ায় এক ইজতেমায় তাবলিগ জামাতের বিশ্ব আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভী এক আলমি মাশওয়ারায় এই ফয়সালা করেন।
রোববার (৩০ নভেম্বর) তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের মিডিয়া সমন্বয়ক মো. সায়েম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মিডিয়া সমন্বয়ক মো. সায়েম জানান, বাংলাদেশের শূরা হযরত প্রফেসর ইউনুস সিকদার আমিরের অধীনে শূরা হিসেবে থাকবেন এবং আমিরকে সহযোগিতার জন্য কাকরাইলের মাওলানা মনির বিন ইউসুফ ও হাফেজ ওজিউল্লাহকে শূরা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই মাশওয়ারায়।

সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলামকে দীর্ঘদিন পর তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আমির মনোনীত করায় তাবলিগের সাথীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে।

সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম ১৯৯৯ সাল থেকে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আহলে শূরা ও কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরুব্বি ছিলেন। তিনি তাবলিগের কাজে বিশ্বের শতাধিক দেশ সফর করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মুরুব্বি ও একজন বিশ্ব নন্দিত দাঈ হিসেবে সর্বমহলে ব্যাপক পরিচিত।

উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়া ইজতেমায় শরিক হওয়ার জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১৫০০ তাবলিগের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ায় উপস্থিত আছেন। আগে তাবলিগ জামাতের বিশ্বব্যাপী এই মাশওয়ারা বাংলাদেশের বিশ্ব ইজতেমায় অনুষ্ঠিত হতো। মাওলানা সাদ কান্ধলভী বিরোধিতার মুখে বাংলাদেশে না আসায় তাবলিগের এই আলমী মাশওয়ারা এ বছর ইন্দোনেশিয়া ইজতেমায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ইজতেমার সমাপনী দিনে তাবলীগের আলমী মাশওয়ারায় কয়েকটি দেশের তাবলিগ জামাতের নতুন আমির ঠিক করা হয়। তখন বিশ্ব আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভী বাংলাদেশের আমির হিসেবে সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলামের নাম ঘোষণা করেন।

স্কুলে ভর্তির ডিজিটাল লটারি ১১ ডিসেম্বর

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
   
স্কুলে ভর্তির ডিজিটাল লটারি ১১ ডিসেম্বর

দেশের সরকারি-বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তিতে ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১১ ডিসেম্বর। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মাধ্যমিক শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত ২১ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হচ্ছে। ৫ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ আবেদন করা যাবে। এরপর ১১ ডিসেম্বর লটারি হবে। লটারিতে নির্বাচিতরাই ভর্তির সুযোগ পাবে।

মাউশির তথ্যমতে, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে চার হাজার ৪৮টি সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এবার সরকারি স্কুলের সংখ্যা ৬৮৮টি এবং বেসরকারি স্কুলের সংখ্যা তিন হাজার ৩৬০টি। সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট শূন্য আসন ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২৮১টি। এর মধ্যে সরকারি স্কুলে শূন্য আসন এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি এবং বেসরকারি স্কুলে আসন ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি।

গত ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি স্কুলের এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিল দুই লাখ ৬০ হাজার ২৪৪ জন। তারা পছন্দক্রম দিয়েছিল তিন লাখ ৭৫ হাজার ৭২৮টি।

অন্যদিকে বেসরকারি স্কুলে ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি শূন্য আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিল ৯৮ হাজার ৭৬২ শিক্ষার্থী। তারা পছন্দক্রম দিয়েছিল এক লাখ ৮০ হাজার ৮৬২টি। এরপর আর আবেদন জমা পড়ার নতুন তথ্য জানায়নি মাউশি।

error: Content is protected !!