খুঁজুন
সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

রুপগঞ্জ ঘুষ খোর সাব রেজিস্ট্রার গোলাম মর্তুজা বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই

রূপগঞ্জ সাব রেজিস্ট্রার গোলাম মর্তুজা অফিসে ঘুষ আর দুর্নীতি তে ঘেরা এখানে ঘুষ ছাড়া মেলেনা সেবা নড়ে না ফাইল

রুপগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হাসান ইকবাল তালুকদার
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:২৭ অপরাহ্ণ
রূপগঞ্জ  সাব রেজিস্ট্রার গোলাম মর্তুজা  অফিসে ঘুষ আর দুর্নীতি তে ঘেরা এখানে ঘুষ ছাড়া মেলেনা সেবা নড়ে না  ফাইল

ঘুষ খোর  সাব রেজিস্ট্রার গোলাম মর্তুজা

রূপগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে চলা অনিয়ম, ঘুষ-বাণিজ্য ও হয়রানির চিত্র এখন আর গোপন নয়। অফিসে প্রবেশ করার পর থেকেই সেবাপ্রার্থীদের সামনে যেন অদৃশ্য এক ‘টোল ট্যাক্স’ দাঁড়িয়ে থাকে—যা না দিলে কোনও সরকারি কাজ এগোয় না।
স্থানীয়দের দাবি, এই অনিয়মের মূল কেন্দ্রবিন্দুতেই রয়েছেন বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার গোলাম মর্তুজা এবং তার ঘনিষ্ঠ একটি চক্র।

স্বাভাবিক সেবাতেও ঘুষ—আইন নেই, কার্যত “পন্থা” বানানো হয়েছে

দলিল নিবন্ধন, নামজারি, খতিয়ান যাচাই, জমির মালিকানা হস্তান্তর—এসব সরকারি সেবার নির্ধারিত ফি থাকলেও বাস্তবে সেবাপ্রার্থীদের দিতে হয় অতিরিক্ত “ঘুষ ফি”।
কেউ ঘুষ দিতে আপত্তি জানালে তার ফাইল দিনের পর দিন আটকে রাখা হয়, নানা অজুহাতে ঘুরানো হয়, কাজের গতি থেমে যায়।

একজন ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“দলিল সাইন করতে গেলে বলে—স্যার ব্যস্ত। কিন্তু পাশের ঘরে টাকা ধরিয়ে দিলে ৫ মিনিটেই সাইন হয়ে যায়। এই অফিসে ন্যায্য কাজ করতে গেলেও ঘুষ না দিলে লজ্জায় ফেলতে চায়।”

ঘুষের নির্দিষ্ট হার—এ যেন এক ‘অফিসিয়াল রেট তালিকা’

স্থানীয়রা বলছেন, অফিসের কর্মচারীদের মধ্যে ঘুষের নির্দিষ্ট কিছু হার প্রচলিত রয়েছে।
যেমন—

  • জরুরি দলিলের জন্য আলাদা রেট

  • খতিয়ান যাচাইয়ে ‘অগ্রাধিকার’ পেতে বিশেষ রেট

  • সাব-রেজিস্ট্রারের সাথে দেখা করতে হলেও ‘ম্যনেজিং ফি’

অভিযোগ অনুযায়ী, কাজ দ্রুত করাতে হলে ‘মর্তুজা সাহেবের পছন্দের’ পরিমাণ টাকা দিতে হয়।
অর্থাৎ, ঘুষের ধরন, সময়, এমনকি কথাবার্তার ভঙ্গিও নাকি নির্দিষ্ট করা আছে!

একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন,
“রূপগঞ্জে দলিল করতে গেলে আগে জানতে হয়—কত টাকায় কাজটা এগোবে।
সরকারি ফি বিষয় না, মূল কথা—ঘুষ দিলে কাজ হবে।”

অভিযোগ করলেই চাপ—প্রশাসনের নীরবতাও প্রশ্নবিদ্ধ

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, উপরের মহলে অভিযোগ দিলে কিছু ক্ষেত্রে তদন্তের আশ্বাস মিললেও বাস্তবে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বরং যারা বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন, তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
ফলে কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পান, অনেকেই নাম গোপন রেখে অভিযোগ জানাতে বাধ্য হচ্ছেন।

একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি জানান,
“অভিযোগ করতে গেলেই অফিসের লোকজন বুঝে যায়। তারপর এমনভাবে ফাইল ঘোরায়—যেন আপনি অপরাধী। আমরা সাধারণ মানুষ কোথায় যাব?”

পুরো এলাকাজুড়ে ক্ষোভ—“এই চক্র ভেঙে না দিলে কেউ নিরাপদ না”

রূপগঞ্জের সাধারণ মানুষ এখন এক কথা বলছেন—এ অফিসে অনিয়ম বন্ধ করতে হলে শুধু একজন সাব-রেজিস্ট্রার নয়, পুরো সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

একজন স্থানীয় কৃষক বলেন,
“আধুনিক ডিজিটাল সেবা জমানায়ও আমাদের ঘুষ দিয়ে কাজ করাতে হয়। এটা শুধু দুর্নীতি না—সরকারকে ব্যর্থ করার পাঁয়তারা।”

পর্দার আড়ালে কে বা কারা—বড় প্রশ্ন রয়ে গেল

বছরের পর বছর একজন কর্মকর্তা একই জায়গায় থেকে এমন নির্লজ্জ অনিয়ম করতে পারছেন—এই প্রশ্ন উঠতেই পারে।
স্থানীয়দের কাছে এটি আর কেবল ঘুষ নয়; বরং একটি সুসংগঠিত ‘নেটওয়ার্ক’।

অনেকে মনে করছেন—

  • স্থানীয় দালাল চক্র

  • অফিসের কিছু কর্মচারী

  • এবং প্রভাবশালী মহলের মদদ

সব মিলিয়েই তৈরি হয়েছে এই দুর্নীতির অভয়ারণ্য।

দুদকের তদন্তেই বেরিয়ে আসবে সত্য—আশা স্থানীয়দের

রূপগঞ্জবাসীর এখন একটাই দাবি—
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যেন এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে।

স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন,
“দুদক যদি সত্যিকারের তদন্ত করে, তাহলে থলের বিড়াল যেভাবেই হোক বেরিয়েই আসবে।”

আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে।
অনেকে সরাসরি দাবি করছেন—এ অফিসে গিয়ে সেবা নিতে গেলে মানুষ অপমানিত হন, সময় নষ্ট হয়, আর বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়।
এ যেন দুর্নীতির এক প্রকাশ্য প্রদর্শনী।

রূপগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চলমান এই ঘুষ বাণিজ্য শুধুমাত্র কয়েকজন কর্মকর্তার অনিয়ম নয়—এটি এখন সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার, ন্যায্য সেবা পাওয়ার অধিকারকে পদদলিত করার সামিল।
সঠিক তদন্ত না হলে এই চক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে—এটাই স্থানীয়দের আশঙ্কা ।বিস্তারিত আসছে দ্বিতীয় পর্বে

তেহরানে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আঞ্চলিক ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
   
তেহরানে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আঞ্চলিক ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান তেহরান সফরে গিয়ে বাণিজ্য, জ্বালানি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ক্ষেত্রে তুরস্ক ও ইরানের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দুই দেশের ‘আরও অনেক কিছু করার আছে’।

রোববার (৩০ নভেম্বর) ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বাণিজ্য এবং জ্বালানি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আজ আমরা আবার দেখলাম, কারণ আরও অনেক কিছু করার আছে।’ তার মতে, উভয় দেশের দীর্ঘস্থায়ী সমন্বয়ের প্রয়োজন।

ফিদান আরও বলেন, ‘সীমান্ত দক্ষতা উন্নত করতে, সীমান্ত গেটের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে এবং সরবরাহ ও পরিবহন প্রকল্প বাস্তবায়নে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে। আমাদের দেশগুলোর জনসংখ্যা বিশাল, ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং উচ্চ বাণিজ্য রয়েছে। তবে আমাদের বাণিজ্য আরও কার্যকর হওয়া দরকার।’

মন্ত্রীরা অনিয়মিত অভিবাসন, বিশেষ করে আফগানিস্তান থেকে আসা অভিবাসন মোকাবেলার প্রচেষ্টা নিয়েও আলোচনা করেছেন। ফিদান বলেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে একসাথে এই সমস্যাটি মোকাবেলা করার লক্ষ্য রাখি।’

ফিদান পূর্ব তুরস্কের ভ্যান প্রদেশে একটি নতুন কনস্যুলেট খোলার ইরানের পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আরাঘচি সেখানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট পর্যায়ে শিগগিরই নবম তুর্কি-ইরান উচ্চ-স্তরের সহযোগিতা পরিষদের বৈঠক আয়োজনের বিষয়েও সম্মত হন।

আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়ে ফিদান গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরায়েলি সম্প্রসারণবাদী নীতির ওপর উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, উভয় দেশই ‘মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য ইসরায়েলকে সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে দেখে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।’ফিদান চলমান পারমাণবিক আলোচনার সময় তেহরানের প্রতি আঙ্কারার সমর্থনও পুনর্ব্যক্ত করেন এবং তিন ইউরোপীয় দেশের ‘অন্যায়’ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নতুন আমির সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার সারোয়ার
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
   
বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নতুন আমির সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম
বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নতুন আমির হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আহলে শূরা ও কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরুব্বি সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম। এর আগে ইন্দোনেশিয়ায় এক ইজতেমায় তাবলিগ জামাতের বিশ্ব আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভী এক আলমি মাশওয়ারায় এই ফয়সালা করেন।
রোববার (৩০ নভেম্বর) তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের মিডিয়া সমন্বয়ক মো. সায়েম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মিডিয়া সমন্বয়ক মো. সায়েম জানান, বাংলাদেশের শূরা হযরত প্রফেসর ইউনুস সিকদার আমিরের অধীনে শূরা হিসেবে থাকবেন এবং আমিরকে সহযোগিতার জন্য কাকরাইলের মাওলানা মনির বিন ইউসুফ ও হাফেজ ওজিউল্লাহকে শূরা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই মাশওয়ারায়।

সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলামকে দীর্ঘদিন পর তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আমির মনোনীত করায় তাবলিগের সাথীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে।

সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম ১৯৯৯ সাল থেকে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আহলে শূরা ও কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরুব্বি ছিলেন। তিনি তাবলিগের কাজে বিশ্বের শতাধিক দেশ সফর করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মুরুব্বি ও একজন বিশ্ব নন্দিত দাঈ হিসেবে সর্বমহলে ব্যাপক পরিচিত।

উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়া ইজতেমায় শরিক হওয়ার জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১৫০০ তাবলিগের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ায় উপস্থিত আছেন। আগে তাবলিগ জামাতের বিশ্বব্যাপী এই মাশওয়ারা বাংলাদেশের বিশ্ব ইজতেমায় অনুষ্ঠিত হতো। মাওলানা সাদ কান্ধলভী বিরোধিতার মুখে বাংলাদেশে না আসায় তাবলিগের এই আলমী মাশওয়ারা এ বছর ইন্দোনেশিয়া ইজতেমায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ইজতেমার সমাপনী দিনে তাবলীগের আলমী মাশওয়ারায় কয়েকটি দেশের তাবলিগ জামাতের নতুন আমির ঠিক করা হয়। তখন বিশ্ব আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভী বাংলাদেশের আমির হিসেবে সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলামের নাম ঘোষণা করেন।

স্কুলে ভর্তির ডিজিটাল লটারি ১১ ডিসেম্বর

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
   
স্কুলে ভর্তির ডিজিটাল লটারি ১১ ডিসেম্বর

দেশের সরকারি-বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তিতে ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১১ ডিসেম্বর। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মাধ্যমিক শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত ২১ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হচ্ছে। ৫ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ আবেদন করা যাবে। এরপর ১১ ডিসেম্বর লটারি হবে। লটারিতে নির্বাচিতরাই ভর্তির সুযোগ পাবে।

মাউশির তথ্যমতে, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে চার হাজার ৪৮টি সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এবার সরকারি স্কুলের সংখ্যা ৬৮৮টি এবং বেসরকারি স্কুলের সংখ্যা তিন হাজার ৩৬০টি। সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট শূন্য আসন ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২৮১টি। এর মধ্যে সরকারি স্কুলে শূন্য আসন এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি এবং বেসরকারি স্কুলে আসন ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি।

গত ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি স্কুলের এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিল দুই লাখ ৬০ হাজার ২৪৪ জন। তারা পছন্দক্রম দিয়েছিল তিন লাখ ৭৫ হাজার ৭২৮টি।

অন্যদিকে বেসরকারি স্কুলে ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি শূন্য আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিল ৯৮ হাজার ৭৬২ শিক্ষার্থী। তারা পছন্দক্রম দিয়েছিল এক লাখ ৮০ হাজার ৮৬২টি। এরপর আর আবেদন জমা পড়ার নতুন তথ্য জানায়নি মাউশি।

error: Content is protected !!