খুঁজুন
সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

১০০ আসনে প্রার্থী দিচ্ছে এনসিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:০৪ অপরাহ্ণ
১০০ আসনে প্রার্থী দিচ্ছে এনসিপি

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ১০০ আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপি। আজ অথবা আগামীকাল আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করবে দলটি। বিএনপি, জামায়াত কিংবা অন্য কোনো দলের সঙ্গে নির্বাচনি জোট গঠন করলে প্রার্থীর সংখ্যা আরও কমবে বলেও আভাস পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের সাক্ষাৎকার নিয়ে ১০০ আসনের জন্য খসড়া তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম রাজধানীর দুইটি আসনে প্রার্থিতা করবেন বলে জানা গেছে। এনসিপির শীর্ষনেতারা জানিয়েছেন, সারা দেশের বিভিন্ন আসনে এনসিপির হয়ে নির্বাচনে প্রার্থিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করে মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন দলটির ১৪৮৪ জন নেতা। প্রায় সব আসনেই আগ্রহী প্রার্থী থাকলেও- জুলাই অভ্যুত্থানকে ধারণ করা ও নতুন ধারার রাজনীতিতে আগ্রহ, ফ্যাসীবাদ বিরোধী রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও বিশেষায়িত শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং বৈধ আয় ও আর্থিক স্বচ্ছতা এই তিন মানদণ্ডে উত্তীর্ণদেরকেই কেবল দলীয়ভাবে প্রার্থী করা হচ্ছে।

দলীয় প্রার্থী নির্ধারণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ইত্তেফাককে বলেন, বিভিন্ন দলের চাঁদাবাজ এবং গডফাদার প্রার্থীদের তুলনায় আমরা ক্লিন ইমেজ এবং নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করার মতো যোগ্য লোকদের প্রার্থী মনোনীত করতে কাজ করছি। আমরা যাদেরকে প্রার্থী করব তারা দলীয় প্রার্থীর চাইতেও সাধারণ জনগণের প্রার্থী হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করবে। দলীয় প্রার্থী ঘোষণার বিষয়ে এনসিপির আরেক জন শীর্ষনেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইত্তেফাককে বলেন- ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা বললেও মূলত আগ্রহী মনোনয়নপ্রত্যাশীদের নির্বাচন করার মতো সক্ষমতা না থাকায় অনেককে প্রার্থী করা হচ্ছে না। আবার প্রায় দেড় হাজার মনোনয়ন ফরম বিক্রি হলেও তার প্রায় অর্ধেক নেতা সাক্ষাৎকার দিতে আসেননি। এ কারণে ১০০ আসনের বেশি প্রার্থী দিলে অনেক প্রার্থী দলীয় কমান্ডের বাইরে কাজ করতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। এই নেতা জানান, আজ সন্ধ্যায় (গতকাল শনিবার) রাজনৈতিক পরিষদের বৈঠকেই ১০০ আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে এবং কালই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।

এর আগে দলটি গত ৬ নভেম্বর মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করলেও নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ১৩ নভেম্বর। প্রথম পর্যায়ে ১০১১টি ফরম বিক্রির পর আবেদনকারীদের আগ্রহ বিবেচনায় সময় বাড়িয়ে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত করা হয়। এ সময় বিভিন্ন সংসদীয় আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা মিছিলসহ কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে আসেন। ঢাক-ঢোল, ব্যান্ড পার্টি নিয়ে এসেও অনেককে ফরম কিনতে দেখা গেছে।

যারা প্রার্থী হচ্ছেন

এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১১ থেকে প্রার্থী হচ্ছেন। তবে একইসঙ্গে তিনি ঢাকা-৯ থেকেও প্রার্থী হতে পারেন বলে জানা গেছে। সদস্যসচিব আখতার হোসেন রংপুর-৪ আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের দুই ছাত্র উপদেষ্টাও এনসিপির হয়েই নির্বাচনে প্রার্থিতা করবেন বলে আভাস দিয়েছেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা। এক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে ঢাকা-১২ অথবা ঢাকা-১০ এবং তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে লক্ষ্মীপুর-১ আসন থেকে প্রার্থী করা হবে।

এ ছাড়া দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিনকে ভোলা-১, আরিফুল ইসলাম আদিবকে ঢাকা-১৪, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারাকে ঢাকা-৯, মনিরা শারমিনকে নওগাঁ-৫, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ঢাকা-১৮, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে পঞ্চগড়-১, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহকে কুমিল্লা-৪ ও সিনিয়র যুগ্ম সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদকে নোয়াখালী-৬ আসন থেকে প্রার্থী করা হচ্ছে। এর মধ্যে অনেকে নিজ নিজ এলাকায় প্রচারণাও শুরু করেছেন।

কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারকে নরসিংদী-২, কুড়িগ্রাম-২ থেকে আতিক মুজাহিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আকরাম হুসেইনকে ঢাকা-১৩, যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল আমিনকে নারায়ণগঞ্জ-৪, যুগ্ম সদস্যসচিব মীর আরশাদুল হককে চট্টগ্রাম-১৬, কুমিল্লা-১০ এ জয়নাল আবেদীন শিশির, ফেনী-২ আসন থেকে যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাতের প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হয়েছে

তেহরানে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আঞ্চলিক ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
   
তেহরানে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আঞ্চলিক ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান তেহরান সফরে গিয়ে বাণিজ্য, জ্বালানি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ক্ষেত্রে তুরস্ক ও ইরানের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দুই দেশের ‘আরও অনেক কিছু করার আছে’।

রোববার (৩০ নভেম্বর) ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বাণিজ্য এবং জ্বালানি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আজ আমরা আবার দেখলাম, কারণ আরও অনেক কিছু করার আছে।’ তার মতে, উভয় দেশের দীর্ঘস্থায়ী সমন্বয়ের প্রয়োজন।

ফিদান আরও বলেন, ‘সীমান্ত দক্ষতা উন্নত করতে, সীমান্ত গেটের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে এবং সরবরাহ ও পরিবহন প্রকল্প বাস্তবায়নে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে। আমাদের দেশগুলোর জনসংখ্যা বিশাল, ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং উচ্চ বাণিজ্য রয়েছে। তবে আমাদের বাণিজ্য আরও কার্যকর হওয়া দরকার।’

মন্ত্রীরা অনিয়মিত অভিবাসন, বিশেষ করে আফগানিস্তান থেকে আসা অভিবাসন মোকাবেলার প্রচেষ্টা নিয়েও আলোচনা করেছেন। ফিদান বলেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে একসাথে এই সমস্যাটি মোকাবেলা করার লক্ষ্য রাখি।’

ফিদান পূর্ব তুরস্কের ভ্যান প্রদেশে একটি নতুন কনস্যুলেট খোলার ইরানের পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আরাঘচি সেখানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট পর্যায়ে শিগগিরই নবম তুর্কি-ইরান উচ্চ-স্তরের সহযোগিতা পরিষদের বৈঠক আয়োজনের বিষয়েও সম্মত হন।

আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়ে ফিদান গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরায়েলি সম্প্রসারণবাদী নীতির ওপর উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, উভয় দেশই ‘মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য ইসরায়েলকে সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে দেখে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।’ফিদান চলমান পারমাণবিক আলোচনার সময় তেহরানের প্রতি আঙ্কারার সমর্থনও পুনর্ব্যক্ত করেন এবং তিন ইউরোপীয় দেশের ‘অন্যায়’ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নতুন আমির সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার সারোয়ার
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
   
বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নতুন আমির সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম
বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নতুন আমির হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আহলে শূরা ও কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরুব্বি সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম। এর আগে ইন্দোনেশিয়ায় এক ইজতেমায় তাবলিগ জামাতের বিশ্ব আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভী এক আলমি মাশওয়ারায় এই ফয়সালা করেন।
রোববার (৩০ নভেম্বর) তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের মিডিয়া সমন্বয়ক মো. সায়েম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মিডিয়া সমন্বয়ক মো. সায়েম জানান, বাংলাদেশের শূরা হযরত প্রফেসর ইউনুস সিকদার আমিরের অধীনে শূরা হিসেবে থাকবেন এবং আমিরকে সহযোগিতার জন্য কাকরাইলের মাওলানা মনির বিন ইউসুফ ও হাফেজ ওজিউল্লাহকে শূরা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই মাশওয়ারায়।

সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলামকে দীর্ঘদিন পর তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আমির মনোনীত করায় তাবলিগের সাথীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে।

সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম ১৯৯৯ সাল থেকে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আহলে শূরা ও কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরুব্বি ছিলেন। তিনি তাবলিগের কাজে বিশ্বের শতাধিক দেশ সফর করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মুরুব্বি ও একজন বিশ্ব নন্দিত দাঈ হিসেবে সর্বমহলে ব্যাপক পরিচিত।

উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়া ইজতেমায় শরিক হওয়ার জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১৫০০ তাবলিগের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ায় উপস্থিত আছেন। আগে তাবলিগ জামাতের বিশ্বব্যাপী এই মাশওয়ারা বাংলাদেশের বিশ্ব ইজতেমায় অনুষ্ঠিত হতো। মাওলানা সাদ কান্ধলভী বিরোধিতার মুখে বাংলাদেশে না আসায় তাবলিগের এই আলমী মাশওয়ারা এ বছর ইন্দোনেশিয়া ইজতেমায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ইজতেমার সমাপনী দিনে তাবলীগের আলমী মাশওয়ারায় কয়েকটি দেশের তাবলিগ জামাতের নতুন আমির ঠিক করা হয়। তখন বিশ্ব আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভী বাংলাদেশের আমির হিসেবে সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলামের নাম ঘোষণা করেন।

স্কুলে ভর্তির ডিজিটাল লটারি ১১ ডিসেম্বর

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
   
স্কুলে ভর্তির ডিজিটাল লটারি ১১ ডিসেম্বর

দেশের সরকারি-বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তিতে ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১১ ডিসেম্বর। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মাধ্যমিক শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত ২১ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হচ্ছে। ৫ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ আবেদন করা যাবে। এরপর ১১ ডিসেম্বর লটারি হবে। লটারিতে নির্বাচিতরাই ভর্তির সুযোগ পাবে।

মাউশির তথ্যমতে, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে চার হাজার ৪৮টি সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এবার সরকারি স্কুলের সংখ্যা ৬৮৮টি এবং বেসরকারি স্কুলের সংখ্যা তিন হাজার ৩৬০টি। সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট শূন্য আসন ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২৮১টি। এর মধ্যে সরকারি স্কুলে শূন্য আসন এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি এবং বেসরকারি স্কুলে আসন ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি।

গত ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি স্কুলের এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিল দুই লাখ ৬০ হাজার ২৪৪ জন। তারা পছন্দক্রম দিয়েছিল তিন লাখ ৭৫ হাজার ৭২৮টি।

অন্যদিকে বেসরকারি স্কুলে ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি শূন্য আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিল ৯৮ হাজার ৭৬২ শিক্ষার্থী। তারা পছন্দক্রম দিয়েছিল এক লাখ ৮০ হাজার ৮৬২টি। এরপর আর আবেদন জমা পড়ার নতুন তথ্য জানায়নি মাউশি।

error: Content is protected !!