চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্য অভিযোগ উঠেছে অনেক আগে থেকে
চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ গিলে খাচ্ছে উপবন সংরক্ষক বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম
চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ যেন গভীর বনের মতোই অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। সংরক্ষিত বনের গাছ কেটে জমি দখলের অভিযোগ উঠে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্রের সাথে হাত মিলিয়ে উপ বন সংরক্ষক সফিকুল ইসলাম ঘুষ বানিজ্য করছেন । তাছাড়া বণাঞ্চলের অধিনে প্রায় সময় দেখা যায় নিয়মনিতী তোয়াক্কা না করে,গাছ কাঁটা,বনে মহিষ বিচরণ,নদীতে অবৈধ ভাবে মাছ আহরণ,নানান প্রকার অবৈধ জালে মাছ শিকার,বনের মধু পাচার ও কৃত্তিম বাঁধ সৃষ্টি করে মাছ আহরন থেকে শুরু করে বনজ ভূমি ব্যবহার করে তরমুজ চাষ সহ ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি করে আসছে বন অঞ্চলে। যা নানান সময় বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশ হলেও দেখা মিলেনি কোন আইনি হস্তক্ষেপের ,সুধুমাত্র কাগজে কলমে সিমাবদ্ধ থাকতে দেখা গেছে বিগত দিন গুলোতে।
বিভিন্ন অনিয়মের বিষযে বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে অবহিত করলেও মেলেনি কোন প্রতিকার সব সময় চুপ থাকতে দেখা গেছে উপ বন সংরক্ষক সফিকুল ইসলাম কে ব্যাক্তিদের । আর সেই সুযোগে ধামা চাপা দেয়া হয়েছে সব অনিয়মের। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্রশাসন ও গনমাধ্যমের হাত থেকে বাঁচতে বনের মূলবান গাছ কেটে আশপাশের পুকুর ও মাছের ঘেরে লুকিয়ে রাখা হচ্ছে। কাটা গাছের গোড়া কখনো মাটিচাপা দেয়া হয়েছে, আবার কখনো শেকড় দিয়ে ঢেকে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবাদ করলে ফাঁসানোর জন্য তাদের পুকুর কিংবা ঘেরে ফেলে রাখা হচ্ছে কাটা গাছের অংশ। আবার কখনো দেয়া হচ্ছে মিথ্যা মামলা। স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী বলেন, এই সংরক্ষিত বন আমাদের ঢাল স্বরূপ। এটি না থাকলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে আমরা আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবো। অথচ বিট অফিসার ও রেইঞ্জ অফিসার এবং বনখেকো চক্র মিলে মিশে ধীরে ধীরে এই বাগান শেষ করে দিচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানান,
চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ যেন গভীর বনের মতোই অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। এই সেক্টরে দুর্নীতি ও লুটপাট এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, তা সহজে প্রকাশ পায় না। সুফল প্রকল্প, বনায়ন প্রকল্প কিংবা রাজস্ব খাতের বরাদ্দের টাকা কাগজে-কলমে কাজ দেখিয়ে হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। রেঞ্জ কর্মকর্তা, স্টেশন কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কর্মকর্তারা ঘুষের মাধ্যমে পোস্টিং নিয়ে জবরদখলে সরাসরি সহযোগিতার করায় সংকুচিত হচ্ছে বনভূমি, নির্বিচারে ধ্বংস করা হচ্ছে বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণী এবং অভয়ারণ্য হারিয়ে গেছে। বিলুপ্ত প্রজাতির প্রায় শতাধিক প্রাণী চরম সংকটে পড়েছে পরিবেশ ও প্রকৃতি। এবং চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ গিলে খাচ্ছে উপ বন সংরক্ষক সফিকুল ইসলাম সরকার দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিলেও কিছুসংখ্যক দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারির কারণে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারছে না। স্বয়ং দেশের প্রধান উপদেষ্টা ও সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে দুর্নীতি বন্ধে হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরও কোনো কিছুতেই কাজে আসছে না। উন্নয়ন প্রশংসিত হলেও দুর্নীতি এবং অনিয়মের কারণে সুশাসন আজ প্রশ্নবিদ্ধ। সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ
তার বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় থাকলেও ধরাছোঁয়ার বাইরেই থাকেন তিনি। এ ঘটনায় জেলার বনকর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে, কথায় আছে রক্ষক যখন ভক্ষক তখন বন রক্ষা করবে কে? রাতের আঁধারে অসৎ বন কমকর্তা দিয়ে বনে থাকা বহু বছরের পুরোনো গাছ কাটা হচ্ছে নির্দ্বিধায়। টাকার লোভে এভাবে বন কাটায় হতবাক স্থানীয়রাও। বন উজাড়ের এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ সংবাদ সংগ্রহে গেলে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দেন বন কমকর্তা ,উপ বন সংরক্ষক সফিকুল ইসলাম বনের মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রি করেছেন এবং বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত বন কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের অনিয়মের সঙ্গে জড়িত । তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, বনের গাছ কেটে পাচার করছে এবং এর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন। এছাড়াও, বিভিন্ন প্রকল্পের অনুমোদন এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য তারা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করেছেন বিভিন্ন সময়ে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে অভিযোগ করে আসছি, কিন্তু কোনো প্রতিকার পাইনি। বন বিভাগের কিছু অসাধু বন কর্মকর্তার যোগসাজগে এই দুর্নীতি চলছে।”
অভিযোগের বিষয়ে রেঞ্জ কমকর্তা এর কাছে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে, বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়ে তারা অবগত আছেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে
এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন সঠিক ভাবে তদন্ত করবে এবং ” অভিযোগগুলো গুরুত্ব সহকারে দেখবে এবং দ্রুত তদন্ত শুরু করা হবে। দোষী প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, এই ঘটনার সঙ্গে আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশ থাকতে পারে। স্থানীয় সচেতন মহল এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, বনভূমি রক্ষা এবং বন বিভাগের কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বন মন্ত্রণালয় সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করা হচ্ছে, যাতে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করা যায় এবং বনভূমি রক্ষার পাশাপাশি সরকারি সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরী বিস্তারিত আরও জানতে আমাদের সাথে থাকুন সারা বাংলাদেশের দুর্নীতি বাজ দের মুখোশ খুলে দিতে আমরা আছি আপনাদের মাঝে বিস্তারিত জানতে দ্বিতীয় পর্ব চোখ রাখুন



আপনার মতামত লিখুন