খুঁজুন
সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্য অভিযোগ উঠেছে অনেক আগে থেকে

চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ গিলে খাচ্ছে উপবন সংরক্ষক বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৩ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ গিলে খাচ্ছে উপবন সংরক্ষক বিভাগীয় বন কর্মকর্তা   সফিকুল ইসলাম

চট্টগ্রাম উত্তর বন   বিভাগ    যেন গভীর বনের মতোই অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। সংরক্ষিত বনের গাছ কেটে জমি দখলের অভিযোগ উঠে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্রের সাথে হাত মিলিয়ে উপ বন সংরক্ষক  সফিকুল ইসলাম ঘুষ বানিজ্য করছেন । তাছাড়া  বণাঞ্চলের অধিনে প্রায় সময় দেখা যায় নিয়মনিতী তোয়াক্কা না করে,গাছ কাঁটা,বনে মহিষ বিচরণ,নদীতে অবৈধ ভাবে মাছ আহরণ,নানান প্রকার অবৈধ জালে মাছ শিকার,বনের মধু পাচার ও কৃত্তিম বাঁধ সৃষ্টি করে মাছ আহরন থেকে শুরু করে বনজ ভূমি ব্যবহার করে তরমুজ চাষ সহ ব্যাপক  অনিয়ম ও দুর্নীতি  করে আসছে বন অঞ্চলে। যা নানান সময় বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশ  হলেও দেখা মিলেনি কোন আইনি হস্তক্ষেপের ,সুধুমাত্র কাগজে কলমে সিমাবদ্ধ থাকতে দেখা গেছে বিগত দিন গুলোতে।

বিভিন্ন অনিয়মের বিষযে বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে অবহিত করলেও মেলেনি কোন প্রতিকার সব সময় চুপ থাকতে দেখা গেছে  উপ বন সংরক্ষক  সফিকুল ইসলাম কে  ব্যাক্তিদের । আর সেই সুযোগে ধামা  চাপা দেয়া হয়েছে সব অনিয়মের। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,  প্রশাসন ও গনমাধ্যমের হাত থেকে বাঁচতে বনের মূলবান গাছ কেটে আশপাশের পুকুর ও মাছের ঘেরে লুকিয়ে রাখা হচ্ছে। কাটা গাছের গোড়া কখনো মাটিচাপা দেয়া হয়েছে, আবার কখনো শেকড় দিয়ে ঢেকে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবাদ করলে ফাঁসানোর জন্য তাদের পুকুর কিংবা ঘেরে ফেলে রাখা হচ্ছে কাটা গাছের অংশ। আবার কখনো দেয়া হচ্ছে মিথ্যা মামলা। স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী  বলেন, এই সংরক্ষিত বন আমাদের ঢাল স্বরূপ। এটি না থাকলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে আমরা আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবো। অথচ বিট অফিসার ও রেইঞ্জ অফিসার এবং বনখেকো চক্র মিলে মিশে ধীরে ধীরে এই বাগান শেষ করে দিচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানান,

উপ বন সংরক্ষক সফিকুল ইসলাম চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে   আসার পর তিনি ঘুষ আর দুর্নীতি শুরু করেছে এর আগে
বলেছেন   ইজারা দিয়ে থাকেন । কাগজে কলমে নাম মাত্র ইজার জমা হলেও মোটা অংকের টাকা দিতে হয় কোন রকম লিখিত চুক্তি ছাড়া তা না হলে মোটা অংকের টাকায় বহিরাগত দের দেয়া হয় ইজারা যার ফলে প্রতি বছর মোটা টাকা খাজনা দিয়ে আমাদের মহিষ গুরু মাঠে বিচরণ করাতে হয় । চর যমুনার এক মাছ ব্যবসায়ী জানান,বিট অফিসার ও রেঞ্জ  অফিসারের মন মতন টাকা না দিলে খালে  মাছ শিকার করতে বাঁধা দেয়া থেকে মামলা প্রযন্ত খেতে হয় আমাদের । তিনি আরও বলেন অধিক সময় একই স্থানে থাকার ফলে স্থানীয় প্রভাবশালীদের চেনা জানা বেড়ে যাওয়ার ফলে আমাদের মতন সাধারণ জেলে দের বিভিন্ন স্তরকে টাকা দিতে হয় না দিলে ছেলে মেয়েদের নিয়ে থাকতে হয় খালি পেটে । মাঝে মধ্যে দু একটা বিষয়ে লোক মুখে প্রচার হয়ে তা জনসুমক্ষে আসলেও কাগজ তদবিরে থেমে যায়। সম্প্রতি সময়ে বন উজার করে বনের ভিতর ভেকু দিয়ে ঘের কর্তণের অভিযোগ উঠে স্থানীয় এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে যা বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশ পায়। এলাকাবাসীর মতে, আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় প্রথমে ঘের করেছিলেন জুয়েল সিকদার, এখন বিএনপির ছত্রছায়ায় থেকে বনের জমি দখল করে নতুন বাঁধ নির্মাণ করছেন। ঘেরের পানি নিষ্কাশনের জন্য বনের মধ্যে ভেকু মেশিন দিয়ে তৈরি করা হয়েছে নালা ও কালভার্ট। ঘের মালিক ইসমাইল মাঝির ভাই মামুন মাঝি বলেন, ২০২০ সালে ঘের করার সময় দেড় একর বনভূমি দখল করা হয়েছিল। এ বছরও নতুন করে ৩০-৪০ ফুট বনভূমির ভেতরে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। এভাবেই্ ধীরে ধীরে বন উজাড় হচ্ছে রেঞ্জ  অফিসার না জানলে কি এটা করা সম্ভব হতো ? বিশেষজ্ঞদের মতে, ৭০-৮০ দশকে গড়ে ওঠা এই সংরক্ষিত বনাঞ্চল উপকূলীয় এলাকার মানুষের জন্য প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে। এটি জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে, পশু-পাখির আশ্রয়স্থল এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাছাড়া একই স্থানে বহুদিন কর্মরত থাকার কারণে স্থানীয় বলয় ও চেনা জানা হওয়াতে অপরাধের সাথে নিজেকে জড়িয়ে ফেলার আশংকা থাকে,তাই স্থান কাল হিসাবে নির্দিষ্ট সময়ের পর কাওকেই একই স্থানে  রাখা ঠিক নয়। খোঁজনিয়ে জানা যায়,উপ বন সংরক্ষক
 সব সময়  নানান কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখেন যাতে করে বন কর্মকর্তার স্নেহ ভাজন হয়ে সব সময় নিজেকে দোষ ত্রুটির হাত থেকে দুরে রাখতে ব্যস্ত থাকেন । এবং জেলা অফিসে নিজের আধিপত্য যাহির করতে দেখা য়ায়  নিজেকেই
  গুনঞ্জন চলে সাধারণ  স্টাফ ও কর্মচারীদের মুখে। বিভিন্ সময়ে এ রেঞ্জ  ঘটে যাওয়া নানান অনয়মের বিষয়ে রাঙ্গাবালী রেঞ্জ  অফিসার  এর সাথে যোগা যোগ করা হলে তিনি কোন প্রকার কথা বা দেখা করতে চাননি

চট্টগ্রাম উত্তর   বন বিভাগ    যেন গভীর বনের মতোই অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। এই সেক্টরে দুর্নীতি ও লুটপাট এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, তা সহজে প্রকাশ পায় না। সুফল প্রকল্প, বনায়ন প্রকল্প কিংবা রাজস্ব খাতের বরাদ্দের টাকা কাগজে-কলমে কাজ দেখিয়ে হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। রেঞ্জ কর্মকর্তা, স্টেশন কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কর্মকর্তারা ঘুষের মাধ্যমে পোস্টিং নিয়ে জবরদখলে সরাসরি সহযোগিতার করায় সংকুচিত হচ্ছে বনভূমি, নির্বিচারে ধ্বংস করা হচ্ছে বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণী এবং অভয়ারণ্য হারিয়ে গেছে। বিলুপ্ত প্রজাতির প্রায় শতাধিক প্রাণী চরম সংকটে পড়েছে পরিবেশ ও প্রকৃতি। এবং  চট্টগ্রাম উত্তর  বন বিভাগ গিলে খাচ্ছে উপ বন সংরক্ষক সফিকুল ইসলাম    সরকার দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিলেও কিছুসংখ্যক দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারির কারণে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারছে না। স্বয়ং দেশের প্রধান উপদেষ্টা  ও সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে দুর্নীতি বন্ধে হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরও কোনো কিছুতেই কাজে আসছে না। উন্নয়ন প্রশংসিত হলেও দুর্নীতি এবং অনিয়মের কারণে সুশাসন আজ প্রশ্নবিদ্ধ। সর্বপ্রথম  চট্টগ্রাম উত্তর  বন বিভাগ

 সফল বনায়নকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করতে বন অধিদপ্তরের অভাবনীয় সাফল্য আজ ম্লান হতে চলেছে কিছুসংখ্যক দুর্নীতিবাজ বন  কর্মকর্তা/কর্মচারিদের জন্য। এমনই একজন উপ বন সংরক্ষক সফিকুল ইসলাম
 অবৈধ অর্থের জোরে একটি বিশেষ মহলকে ‘খুশি’ করে সম্প্রতি তিনি  চট্টগ্রাম উত্তর বন
বন বিভাগে পোস্টিং নিয়েছেন। প্রজাতন্ত্রের এ   কর্মচারি তার পদ-পদবীর অপব্যবহার করে অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করছে
উপ বন সংরক্ষক সফিকুল ইসলাম।

তার  বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় থাকলেও ধরাছোঁয়ার বাইরেই থাকেন তিনি। এ ঘটনায় জেলার বনকর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে,  কথায় আছে রক্ষক যখন ভক্ষক তখন বন রক্ষা করবে কে? রাতের আঁধারে অসৎ  বন কমকর্তা দিয়ে বনে থাকা বহু বছরের পুরোনো গাছ কাটা হচ্ছে নির্দ্বিধায়। টাকার লোভে এভাবে বন কাটায় হতবাক স্থানীয়রাও। বন উজাড়ের এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ সংবাদ সংগ্রহে গেলে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দেন বন কমকর্তা ,উপ বন সংরক্ষক সফিকুল ইসলাম বনের মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রি করেছেন এবং বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করেছেন।  স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত বন  কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের অনিয়মের সঙ্গে জড়িত । তার বিরুদ্ধে অভিযোগ,  বনের গাছ কেটে  পাচার করছে এবং এর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন। এছাড়াও, বিভিন্ন প্রকল্পের অনুমোদন এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য তারা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করেছেন বিভিন্ন সময়ে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে অভিযোগ করে আসছি, কিন্তু কোনো প্রতিকার পাইনি। বন বিভাগের কিছু অসাধু বন  কর্মকর্তার যোগসাজগে এই দুর্নীতি চলছে।”

অভিযোগের বিষয়ে রেঞ্জ কমকর্তা  এর কাছে  জানতে চাইলে   কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।   তবে, বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়ে তারা অবগত আছেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে

এ বিষয়ে  দুর্নীতি দমন কমিশন সঠিক ভাবে তদন্ত করবে  এবং   ” অভিযোগগুলো গুরুত্ব সহকারে দেখবে  এবং দ্রুত তদন্ত শুরু করা হবে। দোষী প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, এই ঘটনার সঙ্গে আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশ থাকতে পারে। স্থানীয় সচেতন মহল এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, বনভূমি রক্ষা এবং বন বিভাগের কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বন মন্ত্রণালয় সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করা হচ্ছে, যাতে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করা যায় এবং বনভূমি রক্ষার পাশাপাশি সরকারি সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরী বিস্তারিত আরও জানতে আমাদের সাথে থাকুন সারা বাংলাদেশের দুর্নীতি বাজ দের মুখোশ খুলে দিতে আমরা আছি আপনাদের মাঝে বিস্তারিত জানতে দ্বিতীয় পর্ব  চোখ রাখুন

তেহরানে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আঞ্চলিক ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
   
তেহরানে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আঞ্চলিক ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান তেহরান সফরে গিয়ে বাণিজ্য, জ্বালানি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ক্ষেত্রে তুরস্ক ও ইরানের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দুই দেশের ‘আরও অনেক কিছু করার আছে’।

রোববার (৩০ নভেম্বর) ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বাণিজ্য এবং জ্বালানি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আজ আমরা আবার দেখলাম, কারণ আরও অনেক কিছু করার আছে।’ তার মতে, উভয় দেশের দীর্ঘস্থায়ী সমন্বয়ের প্রয়োজন।

ফিদান আরও বলেন, ‘সীমান্ত দক্ষতা উন্নত করতে, সীমান্ত গেটের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে এবং সরবরাহ ও পরিবহন প্রকল্প বাস্তবায়নে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে। আমাদের দেশগুলোর জনসংখ্যা বিশাল, ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং উচ্চ বাণিজ্য রয়েছে। তবে আমাদের বাণিজ্য আরও কার্যকর হওয়া দরকার।’

মন্ত্রীরা অনিয়মিত অভিবাসন, বিশেষ করে আফগানিস্তান থেকে আসা অভিবাসন মোকাবেলার প্রচেষ্টা নিয়েও আলোচনা করেছেন। ফিদান বলেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে একসাথে এই সমস্যাটি মোকাবেলা করার লক্ষ্য রাখি।’

ফিদান পূর্ব তুরস্কের ভ্যান প্রদেশে একটি নতুন কনস্যুলেট খোলার ইরানের পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আরাঘচি সেখানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট পর্যায়ে শিগগিরই নবম তুর্কি-ইরান উচ্চ-স্তরের সহযোগিতা পরিষদের বৈঠক আয়োজনের বিষয়েও সম্মত হন।

আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়ে ফিদান গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরায়েলি সম্প্রসারণবাদী নীতির ওপর উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, উভয় দেশই ‘মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য ইসরায়েলকে সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে দেখে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।’ফিদান চলমান পারমাণবিক আলোচনার সময় তেহরানের প্রতি আঙ্কারার সমর্থনও পুনর্ব্যক্ত করেন এবং তিন ইউরোপীয় দেশের ‘অন্যায়’ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নতুন আমির সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার সারোয়ার
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
   
বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নতুন আমির সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম
বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নতুন আমির হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আহলে শূরা ও কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরুব্বি সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম। এর আগে ইন্দোনেশিয়ায় এক ইজতেমায় তাবলিগ জামাতের বিশ্ব আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভী এক আলমি মাশওয়ারায় এই ফয়সালা করেন।
রোববার (৩০ নভেম্বর) তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের মিডিয়া সমন্বয়ক মো. সায়েম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মিডিয়া সমন্বয়ক মো. সায়েম জানান, বাংলাদেশের শূরা হযরত প্রফেসর ইউনুস সিকদার আমিরের অধীনে শূরা হিসেবে থাকবেন এবং আমিরকে সহযোগিতার জন্য কাকরাইলের মাওলানা মনির বিন ইউসুফ ও হাফেজ ওজিউল্লাহকে শূরা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই মাশওয়ারায়।

সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলামকে দীর্ঘদিন পর তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আমির মনোনীত করায় তাবলিগের সাথীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে।

সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম ১৯৯৯ সাল থেকে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আহলে শূরা ও কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরুব্বি ছিলেন। তিনি তাবলিগের কাজে বিশ্বের শতাধিক দেশ সফর করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মুরুব্বি ও একজন বিশ্ব নন্দিত দাঈ হিসেবে সর্বমহলে ব্যাপক পরিচিত।

উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়া ইজতেমায় শরিক হওয়ার জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১৫০০ তাবলিগের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ায় উপস্থিত আছেন। আগে তাবলিগ জামাতের বিশ্বব্যাপী এই মাশওয়ারা বাংলাদেশের বিশ্ব ইজতেমায় অনুষ্ঠিত হতো। মাওলানা সাদ কান্ধলভী বিরোধিতার মুখে বাংলাদেশে না আসায় তাবলিগের এই আলমী মাশওয়ারা এ বছর ইন্দোনেশিয়া ইজতেমায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ইজতেমার সমাপনী দিনে তাবলীগের আলমী মাশওয়ারায় কয়েকটি দেশের তাবলিগ জামাতের নতুন আমির ঠিক করা হয়। তখন বিশ্ব আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভী বাংলাদেশের আমির হিসেবে সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলামের নাম ঘোষণা করেন।

স্কুলে ভর্তির ডিজিটাল লটারি ১১ ডিসেম্বর

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
   
স্কুলে ভর্তির ডিজিটাল লটারি ১১ ডিসেম্বর

দেশের সরকারি-বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তিতে ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১১ ডিসেম্বর। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মাধ্যমিক শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত ২১ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হচ্ছে। ৫ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ আবেদন করা যাবে। এরপর ১১ ডিসেম্বর লটারি হবে। লটারিতে নির্বাচিতরাই ভর্তির সুযোগ পাবে।

মাউশির তথ্যমতে, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে চার হাজার ৪৮টি সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এবার সরকারি স্কুলের সংখ্যা ৬৮৮টি এবং বেসরকারি স্কুলের সংখ্যা তিন হাজার ৩৬০টি। সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট শূন্য আসন ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২৮১টি। এর মধ্যে সরকারি স্কুলে শূন্য আসন এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি এবং বেসরকারি স্কুলে আসন ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি।

গত ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি স্কুলের এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিল দুই লাখ ৬০ হাজার ২৪৪ জন। তারা পছন্দক্রম দিয়েছিল তিন লাখ ৭৫ হাজার ৭২৮টি।

অন্যদিকে বেসরকারি স্কুলে ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি শূন্য আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিল ৯৮ হাজার ৭৬২ শিক্ষার্থী। তারা পছন্দক্রম দিয়েছিল এক লাখ ৮০ হাজার ৮৬২টি। এরপর আর আবেদন জমা পড়ার নতুন তথ্য জানায়নি মাউশি।

error: Content is protected !!