খুঁজুন
সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

মারা গেছেন সাবেক সংসদ সদস্য মতিউর রহমান

স্টাফ রিপোর্টার আরিফ ইউসুফ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
মারা গেছেন সাবেক সংসদ সদস্য মতিউর রহমান

সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য মতিউর রহমান তালুকদার মারা গেছেন। সোমবার (১৭ নভেম্বর) রাত ৭টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন মতিউর রহমান। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮০ বছর।মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব হুমায়ূন হাসান শাহীন।

পারিবারিক জানা গেছে,  সোমবার সন্ধ্যায় হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মতিউর রহমান তালুকদার প্রথম আলোচনায় আসেন ১৯৮৮ সালে। চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন বরগুনা-৩ (আমতলী-তালতলী) আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২০০১ সালের নির্বাচনে একই আসনে নির্বাচনী প্রচারণার সময় আওয়ামী লীগ প্রার্থী মজিবুর রহমান তালুকদার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে ওই আসনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনটি আসনে বিজয়ী হওয়ার পর বরগুনা-৩ আসনটি শূন্য হয়ে যায়। পরবর্তী উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে জয়ী হন মতিউর রহমান তালুকদার এবং দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য হন।

রাজনীতিতে দীর্ঘ সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসা এই প্রবীণ নেতা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে বরগুনা-১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

তেহরানে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আঞ্চলিক ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
   
তেহরানে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আঞ্চলিক ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান তেহরান সফরে গিয়ে বাণিজ্য, জ্বালানি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ক্ষেত্রে তুরস্ক ও ইরানের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দুই দেশের ‘আরও অনেক কিছু করার আছে’।

রোববার (৩০ নভেম্বর) ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বাণিজ্য এবং জ্বালানি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আজ আমরা আবার দেখলাম, কারণ আরও অনেক কিছু করার আছে।’ তার মতে, উভয় দেশের দীর্ঘস্থায়ী সমন্বয়ের প্রয়োজন।

ফিদান আরও বলেন, ‘সীমান্ত দক্ষতা উন্নত করতে, সীমান্ত গেটের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে এবং সরবরাহ ও পরিবহন প্রকল্প বাস্তবায়নে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে। আমাদের দেশগুলোর জনসংখ্যা বিশাল, ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং উচ্চ বাণিজ্য রয়েছে। তবে আমাদের বাণিজ্য আরও কার্যকর হওয়া দরকার।’

মন্ত্রীরা অনিয়মিত অভিবাসন, বিশেষ করে আফগানিস্তান থেকে আসা অভিবাসন মোকাবেলার প্রচেষ্টা নিয়েও আলোচনা করেছেন। ফিদান বলেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে একসাথে এই সমস্যাটি মোকাবেলা করার লক্ষ্য রাখি।’

ফিদান পূর্ব তুরস্কের ভ্যান প্রদেশে একটি নতুন কনস্যুলেট খোলার ইরানের পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আরাঘচি সেখানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট পর্যায়ে শিগগিরই নবম তুর্কি-ইরান উচ্চ-স্তরের সহযোগিতা পরিষদের বৈঠক আয়োজনের বিষয়েও সম্মত হন।

আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়ে ফিদান গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরায়েলি সম্প্রসারণবাদী নীতির ওপর উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, উভয় দেশই ‘মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য ইসরায়েলকে সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে দেখে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।’ফিদান চলমান পারমাণবিক আলোচনার সময় তেহরানের প্রতি আঙ্কারার সমর্থনও পুনর্ব্যক্ত করেন এবং তিন ইউরোপীয় দেশের ‘অন্যায়’ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নতুন আমির সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার সারোয়ার
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
   
বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নতুন আমির সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম
বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নতুন আমির হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আহলে শূরা ও কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরুব্বি সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম। এর আগে ইন্দোনেশিয়ায় এক ইজতেমায় তাবলিগ জামাতের বিশ্ব আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভী এক আলমি মাশওয়ারায় এই ফয়সালা করেন।
রোববার (৩০ নভেম্বর) তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের মিডিয়া সমন্বয়ক মো. সায়েম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মিডিয়া সমন্বয়ক মো. সায়েম জানান, বাংলাদেশের শূরা হযরত প্রফেসর ইউনুস সিকদার আমিরের অধীনে শূরা হিসেবে থাকবেন এবং আমিরকে সহযোগিতার জন্য কাকরাইলের মাওলানা মনির বিন ইউসুফ ও হাফেজ ওজিউল্লাহকে শূরা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই মাশওয়ারায়।

সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলামকে দীর্ঘদিন পর তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আমির মনোনীত করায় তাবলিগের সাথীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে।

সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম ১৯৯৯ সাল থেকে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আহলে শূরা ও কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরুব্বি ছিলেন। তিনি তাবলিগের কাজে বিশ্বের শতাধিক দেশ সফর করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মুরুব্বি ও একজন বিশ্ব নন্দিত দাঈ হিসেবে সর্বমহলে ব্যাপক পরিচিত।

উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়া ইজতেমায় শরিক হওয়ার জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১৫০০ তাবলিগের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ায় উপস্থিত আছেন। আগে তাবলিগ জামাতের বিশ্বব্যাপী এই মাশওয়ারা বাংলাদেশের বিশ্ব ইজতেমায় অনুষ্ঠিত হতো। মাওলানা সাদ কান্ধলভী বিরোধিতার মুখে বাংলাদেশে না আসায় তাবলিগের এই আলমী মাশওয়ারা এ বছর ইন্দোনেশিয়া ইজতেমায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ইজতেমার সমাপনী দিনে তাবলীগের আলমী মাশওয়ারায় কয়েকটি দেশের তাবলিগ জামাতের নতুন আমির ঠিক করা হয়। তখন বিশ্ব আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভী বাংলাদেশের আমির হিসেবে সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলামের নাম ঘোষণা করেন।

স্কুলে ভর্তির ডিজিটাল লটারি ১১ ডিসেম্বর

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
   
স্কুলে ভর্তির ডিজিটাল লটারি ১১ ডিসেম্বর

দেশের সরকারি-বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তিতে ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১১ ডিসেম্বর। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মাধ্যমিক শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত ২১ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হচ্ছে। ৫ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ আবেদন করা যাবে। এরপর ১১ ডিসেম্বর লটারি হবে। লটারিতে নির্বাচিতরাই ভর্তির সুযোগ পাবে।

মাউশির তথ্যমতে, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে চার হাজার ৪৮টি সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এবার সরকারি স্কুলের সংখ্যা ৬৮৮টি এবং বেসরকারি স্কুলের সংখ্যা তিন হাজার ৩৬০টি। সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট শূন্য আসন ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২৮১টি। এর মধ্যে সরকারি স্কুলে শূন্য আসন এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি এবং বেসরকারি স্কুলে আসন ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি।

গত ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি স্কুলের এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিল দুই লাখ ৬০ হাজার ২৪৪ জন। তারা পছন্দক্রম দিয়েছিল তিন লাখ ৭৫ হাজার ৭২৮টি।

অন্যদিকে বেসরকারি স্কুলে ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি শূন্য আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিল ৯৮ হাজার ৭৬২ শিক্ষার্থী। তারা পছন্দক্রম দিয়েছিল এক লাখ ৮০ হাজার ৮৬২টি। এরপর আর আবেদন জমা পড়ার নতুন তথ্য জানায়নি মাউশি।

error: Content is protected !!